নামাযে ওয়াজিব....
নিম্নে নামাযের ওয়াজিব সমুহ বর্ননা করা হলো।
১। ফরজ নামাযের প্রথম দুই রাকাতে এবং বিতির,নফল ও সুন্নত নামাযের সব রাকাতে সুরা ফাতেহা পড়া।
২। ফরজ নামাযের প্রথম দুই রাকাতে এবং বিতির,নফল ও সুন্নত নামাযের সব রাকাতে সুবা ফাতেহার পর অন্য যেই কোন একটি বড় আয়াত বা ছোট তিন আয়াত কিংবা যেই কোন একটি পুর্নাঙ্গ সুরা পড়া।
৩। নামাযের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।
৪। নামাযে তারা হুরা না করা অর্থাৎ ধীরে সুসে’ নামায আদায় করা।
৫। দ্বিতীয় রাকাতের পর প্রথম বৈঠক করা এবং তাশাহুদ পড়া।
৬। শেষ বৈঠকে“আস্সলামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ”বলে নামায শেষ করা।
৭। বিতির নামাযে দোয়া কুনুত পড়া।
৮। প্রত্যেক ঈদের নামাযে অতিরিক্ত ছয় তাকবীর বলা।
৯। যে সব নামাযে উচ্চ স্বরে কেরাত পড়ার নিয়ম সেসব নামাযে উচ্চ স্বরে কেরাত পড়া এবং যেই সব নামাযে নিরবে কেরাত পড়ার নিয়ত সেসব নামাযে নিরবে কেরাত পড়া।
১০।সেজদার সময় দুই হাত এবং দুই হাটু জমিনে রাখা।
১১।রুকু এবং সেজদায় কমপক্ষে এক বার করে তসবীহ পড়া ওয়াজিব।
নিম্নে নামাযের ওয়াজিব সমুহ বর্ননা করা হলো।
১। ফরজ নামাযের প্রথম দুই রাকাতে এবং বিতির,নফল ও সুন্নত নামাযের সব রাকাতে সুরা ফাতেহা পড়া।
২। ফরজ নামাযের প্রথম দুই রাকাতে এবং বিতির,নফল ও সুন্নত নামাযের সব রাকাতে সুবা ফাতেহার পর অন্য যেই কোন একটি বড় আয়াত বা ছোট তিন আয়াত কিংবা যেই কোন একটি পুর্নাঙ্গ সুরা পড়া।
৩। নামাযের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।
৪। নামাযে তারা হুরা না করা অর্থাৎ ধীরে সুসে’ নামায আদায় করা।
৫। দ্বিতীয় রাকাতের পর প্রথম বৈঠক করা এবং তাশাহুদ পড়া।
৬। শেষ বৈঠকে“আস্সলামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ”বলে নামায শেষ করা।
৭। বিতির নামাযে দোয়া কুনুত পড়া।
৮। প্রত্যেক ঈদের নামাযে অতিরিক্ত ছয় তাকবীর বলা।
৯। যে সব নামাযে উচ্চ স্বরে কেরাত পড়ার নিয়ম সেসব নামাযে উচ্চ স্বরে কেরাত পড়া এবং যেই সব নামাযে নিরবে কেরাত পড়ার নিয়ত সেসব নামাযে নিরবে কেরাত পড়া।
১০।সেজদার সময় দুই হাত এবং দুই হাটু জমিনে রাখা।
১১।রুকু এবং সেজদায় কমপক্ষে এক বার করে তসবীহ পড়া ওয়াজিব।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন