বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২০

সূরা আল কাওসার





সূরা আল কাওসার

 

 

আরবি সূরাঃ

 
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ 
فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ 
إِنَّ شَانِئَكَ هُوَ الْأَبْتَرُ 

 

উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
"ইন্না আ'ত্বাইনা কাল কাউসার। ফাসাল্লিলি রাব্বাকা ওয়ানহার। ইন্না শা'নিয়াকা হুয়াল আবতার"।

 

অর্থঃ

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি
"নিশ্চয় আমি আপনাকে কাওসার দান করেছি। অতএব আপনার পালনকর্তার উদ্দেশ্যে নামায পড়ুন এবং কোরবানী করুন। যে আপনার শত্রু, সেই তো লেজকাটা, নির্বংশ"।

সূরা আছর





সূরা আছর

 

 

আরবিঃ

 
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

وَالْعَصْرِ 
إِنَّ الْإِنْسَانَ لَفِي خُسْرٍ
إِلَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ وَتَوَاصَوْا بِالْحَقِّ وَتَوَاصَوْا بِالصَّبْرِ

 

উচ্চারণঃ


বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
(১) ওয়াল ‘আছর
(২) ইন্নাল ইনসা-না লাফী খুস্র
(৩) ইল্লাল্লাযীনা আ-মানু ওয়া ‘আমিলুছ ছা-লেহা-তে, ওয়া তাওয়া-ছাও বিল হাকক্বে ওয়া তাওয়া-ছাও বিছ্ ছাব্র । 

 

অর্থঃ


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি
(১) কালের শপথ!
(২) নিশ্চয়ই সকল মানুষ অবশ্যই ক্ষতির মধ্যে রয়েছে।
(৩) তারা ব্যতীত যারা (জেনে-বুঝে) ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম সম্পাদন করেছে এবং পরস্পরকে ‘হক’-এর উপদেশ দিয়েছে ও পরস্পরকে ধৈর্য্যের উপদেশ দিয়েছে।

সূরা আল ফাতিহা



সূরা আল ফাতিহা

 

 

আরবিঃ


بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ 
الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ 
مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ 
إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ 
اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ 
صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ 

 

উচ্চারণঃ


বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
"আলহামদুলিল্লাহি রাব্বীল আ'লামীন। আররাহমানির রাহীম। মা-লিকী ইয়াউমিদ্দ্বীন। ইয়্যাকা-না'বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাসতায়ীন। ইহদিনাস-সিরাতাল মুসতাক্বীম। সিরাত্বাল লাযিনা আন-আ'মতা আ'লাইহিম।গাইরিল মাগদুবি আ'লাইহিম। ওয়ালাদ্দুয়াল্লীন। আমীন"।

 

অর্থঃ


শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
"সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর, যিনি পরম করুণাময়, পরম দয়াময় যিনি বিচার দিনের মালিক। আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি। আমাদেরকে সরল পথ দেখাও, সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে"।

রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২০

Al-quran 
দেখুন,,,,,,,

৩. নামাযে কব্জির উপর হাত বাঁধা এবং নাভীর নিচে রাখা সুন্নাত

৩. নামাযে কব্জির উপর হাত বাঁধা এবং নাভীর নিচে রাখা সুন্নাত


নামাযে বাম হাতের কব্জির উপর ডান হাত রাখা এবং দুই আঙ্গুল দ্বারা চেপে ধরা সুন্নাত। একাধিক সহীহ হাদীস দ্বারা এ আমল প্রমাণিত। চার মাযহাবের ইমাম এবং জমহুর আলেমগণ এটাকেই সুন্নাত পদ্ধতি আখ্যা দিয়েছেন।

প্রমাণ :

১. হযরত সাহল ইবনে সা‘দ (রা) বলেন, মানুষকে এই আদেশ দেয়া হয়েছে যে, তারা যেন নামাযে ডান হাত বাম হাতের বাহুর উপর রাখে। (বুখারী শরীফ হাদীস নং ৭৪০)

এই হাদীসটি সম্পর্কে বুখারী শরীফের বিখ্যাত ভাষ্যকার হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী (র) বলেন, বাহুর কোনো জায়গায় রাখতেন সেটা এই হাদীসে অস্পষ্ট।

আবূ দাঊদ ও নাসাঈ বর্ণিত ওয়াইল (রা)-এর হাদীসে বলা হয়েছে, অতঃপর তিনি তার ডান হাত বাম হাতের তালুর পিঠ, কব্জি ও বাহুর উপর রাখলেন। ইবনে খুযায়মা (র) প্রমুখ এটিকে সহীহ বলেছেন। (ফাতহুল বারী : খন্ড ২, পৃষ্ঠা ২৭৫)

আর আল্লামা শাওকানী রহ. নায়লুল আওতার গ্রন্থে বলেছেন : হাদীস শরীফে যে বলা হয়েছে, ‘বাম হাতের বাহুর উপর” বাহুর কোন্ জায়গা তা এখানে অস্পষ্ট রাখা হয়েছে।

মুসনাদে আহমাদ ও আবূ দাঊদ শরীফে বর্ণিত হাদীসে তার ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে আর তা হলো তিনি তার ডান হাত বাম হাতের পিঠ কব্জি ও বাহুর উপরে রেখেছেন। তাবারানী রহ. এর বর্ণনায় এসেছে, তিনি নামাযে তার ডান হাত বাম হাতের পিঠের উপর কব্জির কাছে রেখেছেন। (খন্ড ২, পৃষ্ঠা ১৮৭)

২. হযরত হুলব আততাঈ (রা) বলেন, রাসূল (সা) আমাদের ইমাম হতেন। তিনি ডান হাত দ্বারা বাম হাত চেপে ধরতেন। (তিরমিযী শরীফ : হাদীস নং ২৫২)

এ বিষয়ে আরো যত সহীহ হাদীস বর্ণিত আছে সবগুলোর মধ্যে সমন্বয় করে চার মাযহাবের আলেমগণ সেই পদ্ধতিকেই অবলম্বন করেছেন, যেভাবে হানাফী মাযহাবের অনুসারীগণ আমল করে থাকেন। একেই বলে হাদীসের অনুসরণ। এরাই প্রকৃত হাদীস অনুসারী। আর যারা একটি হাদীস নিয়ে সবগুলো উপেক্ষা করে তারা মূলত নামের আহলে হাদীস। প্রকৃত হাদীস অনুসারী নয়।

* নাভীর নিচে হাত রাখা সুন্নাত
উল্লিখিত পদ্ধতি অনুযায়ী হাত বাধার পর নাভীর নিচে হাত রাখা সুন্নাত। তবে ইমাম শাফয়ী রহ. বুকের নিচে রাখার কথা বলেছেন। কিন্তু বুকের উপর হাত বাধার সুন্নত হওয়ার কথা কেউ বলেননি। বুকের উপর হাত বাঁধার ব্যাপারে কোনো সহীহ হাদীস নেই।

প্রমাণ :

১. হযরত ওয়াইল ইবনে হুজর (রা) বলেন, আমি রাসূল (সা) কে নামাযে ডান হাত বাম হাতের উপর রেখে নাভীর নিচে রাখতে দেখেছি। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা, হাদীস নং ৩৯৫৯)

২. হযরত আলী (রা) বলেন, নামাযের সময় সুন্নত হলো হাত তালুর উপর রেখে নাভীর নিচে রাখা। (আবূ দাঊদ শরীফ, হাদীস নং ৭৫৬)

৩. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) বলেন, হাতের তালু অপর তালুর উপর রেখে নাভীর নিচে রাখতে হবে। (আবূ দাঊদ শরীফ, হাদীস নং ৭৫৮)